Nikli haor, Mithamoin and Tanguar Haor Tour Package by MV Tanguar Haor Cruise Ship
Policy
Cancellation
- To cancel any tour, an email has to be sent to bdcruise.com@gmail.com mentioning the tour booking ID and details about the cancellation.
- The time of sending the email will be considered as the time of cancellation.
- The email will be considered as the final application for cancellation. A phone call to the tourism.com.bd hotline number or any other team member of tourism.com.bd will not be considered as a request for cancellation.
Refund
- The full amount of the tour fee will be refunded if the booking is canceled ten (10) days prior to the start of the experience/tour.
- Fifty Percent (50%) of the tour fee will be refunded if the booking is canceled seven (7) days prior to the start of the experience/tour.
- No refund will be provided if the booking is canceled less than five (5) days prior to the start of the experience/tour.
- Convenience fee is non-refundable and will be deducted from the paid amount.
- All refunds will be processed within seven (7) working days.
Child Policy
- No fee will be needed for children below the age of three (3). No separate seat will be provided in case of transportation and accommodation.
- 50% fee must be paid for any child between the age of three (3) and seven (7) years old.
- Full amount of money must be paid for anyone above seven (7) years old.
For Booking Call: +88 01678086361 to 69
সরাসরি ঢাকা থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জাহাজ এ নদী পথে নিকলী – মিঠামইন হাওড় হয়ে টাঙ্গুয়ার হাওড় ভ্রমন
Call: +880 1711336825, 01402288573, 01678076361-69
সরাসরি ঢাকা থেকে মেঘালয় এর পাদদেশ এ দীর্ঘ এই নৌ ভ্রমনে আপনি অসংখ্য নদী ভ্রমন এর সাথে এক ভ্রমনে নিকলী – মিঠামইন হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর সরাসরি ভ্রমন ছাড়াও, আসা যাওয়ার পথে অসংখ্য ছোট হাওর – বিল ও গ্রামীন প্রকৃতি উপভোগ করতে পারবেন। হাওরের মাঝে কোলাহল মুক্ত পরিবেশ এ রাত্রী যাপন এর সুযোগ ও মিলবে এই ট্রিপে।
থাকার ব্যবস্থা: এম ভি টাঙ্গুয়ার হাওর (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লাক্সারী ট্যুরিস্ট জাহাজ)
জাহাজ ছাড়ার স্থান: পূর্বাচল ৩০০ ফিট কাঞ্চন ব্রীজ সংলগ্ন, কাঞ্চন মেরিনা ও অস্ট্রিচ হারবার ঘাট।
ভ্রমণের তারিখ
জুলাই ২০২৬:
৩০ জুলাই – ০২ আগস্ট ➔ ক্যান্সেলেশন এর কারনে ১ রুম এভাইলেবল।
আগস্ট ২০২৬:
০৬–০৯ আগস্ট ➔ ফুল বুকড
১৩–১৬ আগস্ট ➔ ফুল বুকড
২০–২৩ আগস্ট ➔ ফুল বুকড
২৫–২৮ আগস্ট ➔ ১০ রুম ফাকা আছে।
২৯–০১ সেপ্টেম্বর ➔ ১৫ রুম ফাকা আছে।
সেপ্টেম্বর ২০২৬:
০৩–০৬ সেপ্টেম্বর ➔ ৪ রুম ফাঁকা আছে।
১০–১৩ সেপ্টেম্বর ➔ ফুল বুকড
১৭- ২০ সেপ্টেম্বর ➔ বুকিং চলছে।
নোট: এছাড়া ৭০-৮০ জন এর গ্রুপ হলে অনান্য যে কোন দিন কর্পোরেট বা গ্রুপ বুকিং করতে পারবেন।
ভ্রমণ খরচ
ঢাকা-নিকলী হাওর-টাঙ্গুয়ার হাওর-ঢাকা | ৪ রাত ৩ দিন
– প্রতিজন ২০০০০ (সেকেন্ড ফ্লোর)(VIP Room 115, 116, 3 Person 60,000)
– প্রতিজন ১৮০০০ (ফাস্ট ফ্লোর)
– চাইল্ড পলিসি: ০-০৩ বছর ফ্রী, ০৩-০৫ বছর ৮,০০০ প্রতিজন [বাবা মায়ের সাথে বেড শেয়ারিং, খাবার ও এন্ট্রি ফিস সহ]
– বুকিং মানি: ৫০% (ফেরত যোগ্য নয়)
ভ্রমণ স্পট
– নিকলী হাওর।
– মিঠামইন অল ওয়েদার রোড, প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট এরিয়া।
– টাঙ্গুয়ার হাওড় (ওয়াচ টাওয়ার, হিজল/করচ বন)।
– নিলাদ্রী লেক/ শহীদ সিরাজ লেক ও পাতাল কূপ।
– লাকমাছড়া।
– বারিক টিলা।
– যাদুকাটা নদী।
– শিমুল বাগান অথবা রাজাই/লালঘাট ঝর্না।
– এছাড়া যাওয়া আসার পথে, শীতলক্ষ্যা নদী, ধলেশ্বরী নদী, মেঘনা নদী, ঘোড়াউত্রা নদী, কালনি নদীর মুখ, ধনু নদী, খালিয়াজুড়ি হাওর, বৌলাই নদী, পাটলাই নদী সহ অগনিত নদী মাতৃক বাংলার রুপ
এক্টিভিটি
– ৩ দিন ৪ রাত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জাহাজ এ প্রায় ৬৫০-৭৫০ কিমি নদী ও হাওর ভ্রমন।
– জাহাজ এর ২৬০০ স্কয়ার ফিট বিশাল ছাদে আডডা ও ফ্রি টাইম কাটানো। পূর্নিমার চাঁদ উপভোগ।
– লাইভ বার বি কিউ।
– হাওরে গোসল, ছোট নৌকাতে ভ্রমন।
– পায়ে হেটে মেঘালয় সাইড এর সৌন্দর্য উপভোগ।
– ফটোগ্রাফি।
– নদী ও হাওর পারের মানুষ ও জেলেদের জীবন জীবিকা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন।
– স্থানীয় শিল্পী দের নিয়ে লোকজ সংগীত সন্ধ্যা। (যদি সম্ভব হয়)
প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত
– প্রতিদিন তিন বেলা ডবল মেন্যুর খাবার ও ২ বেলা স্নাক্স থাকবে। চা এবং কফির ব্যাবস্থা থাকবে পর্যাপ্ত।
– জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।
– লাইফ জ্যাকেট। পর্যাপ্ত পরিমান বয়া।
– ফাস্ট এইড।
– প্রার্থনা কক্ষ।
স্পেশাল ফিচার
– ক্যানেল ক্রুজিং
– BAR-B-Q
প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত নয়
– ব্যক্তিগত খরচ
– বীমা
– প্যাকেজে উল্লেখ নেই এমন কোন খরচ
খাবার
প্রথম দিন
– বিকেলের স্ন্যাক্স: ওয়েলকাম ড্রিংক্স (ফলের জুস), চাওমিন/পেয়ার মাখা
রাতের খাবার: প্লেইন রাইস, মাছ ভুনা/ গ্রেভেয়া, দুই রকমের ভর্তা, চিকেন কারি, ঘন ডাল, সালাদ, কাপ দই ।
দ্বিতীয় দিন
সকালের খাবার: সকালের খাবার পরোটা, ডিম ওমলেট, মিক্স ভেজিটেবল, সুজির হালুয়া, মুগের ডাল
সকালের স্ন্যাক্স : কেক, কলা ।
দুপুরের খাবার: প্লেইন রাইস, হাসের মাংস, লাউ চিংড়ি, পাবদা মাছের কারি, দুই রকমের ভর্তা, ডাল, সালাদ, স্থানীয় মিষ্টি।
বিকেলের স্ন্যাক্স: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, স্যুপ
রাতের খাবার: ফ্রাইড রাইস, চাইনিজ ভেজিটেবল, ফিস বারবিকিউ, চিকেন বারবিকিউ, বুটের ডাল, রাইতা, সালাদ, সফট ড্রিঙ্কস।
তৃতীয় দিন
সকালের খাবার: ভুনা খিচুড়ি, বেগুন ভাজি, ডিম কারি, মিক্সড আচার, সালাদ।
সকালের স্ন্যাক্স: কেক, সিজনাল ফল
দুপুরের খাবার: প্লেইন পোলাউ, ডিমের কোর্মা, মিক্সড ভেজিটেবল, চিকেন কারি, সালাদ, মিনারেল পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস।
বিকেলের স্ন্যাক্স: নুডলস, পাকোড়া
রাতের খাবার: প্লেইন রাইস, মিক্সড ভেজিটেবল, হাস ভুনা, ফিস ফ্রাই, দুই রকমের ভর্তা, ঘন ডাল, সালাদ, লোকাল দই বা মিষ্টি
চতুর্থ দিন
সকালের খাবার: লুচি, আলুর দম, ডিম মামলেট, সুজির হালুয়া ।
সকালের স্ন্যাক্স: সিংগারা ও পেয়ারা।
দুপুরের খাবার: সাদা ভাত, ডিমের ভর্তা, করল্লা ভাজি, ঢেড়স ভাজি, শাক, দুই ধরণের ভর্তা, চিকেন ঝাল কারি, ফিস ফ্রাই, টমেটো চাটনি, মিক্স সালাদ, ভেজিটেবল, মুড়িঘন্ট, লোকাল মিস্টি।
বিকেলের স্ন্যাক্স: অন্থন, স্যুপ।
রাতের খাবার: প্লেইন রাইস, মাটন রেজালা, ফিস কারি, দুই রকমের ভর্তা, মিক্সড ভেজিটেবল, ঘন ডাল, সালাদ (অপশনাল), লোকাল মিস্টি।
নোট: বাজারে প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে খাবারের তালিকা কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে
ভ্রমণ বিস্তারিত
– সন্ধ্যা ৫.০০ টায় শিমুলিয়া (কাঞ্চন মেরিনা ঘাট) থেকে জাহাজ ছেড়ে সুনামগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা। শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী, মেঘনা, ঘোড়াউত্রা নদী ধরে ছুটে চলবে জাহাজ, ১ম রাত জাহাজ এ অবস্থান ।
– ১ম দিন : সকালে জাহাজ নোঙর করবে নিকলী। ছোট টলার এ করে নিকলী ও অলওয়েদার সড়ক ভ্রমন করে ফিরে এসে টাঙ্গুয়ার হাওড় এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা। ধনু নদী, বৌলাই নদী হয়ে ২য় রাতে টাঙ্গুয়ার হাওর এ অবস্থান।
– ২য় দিন: সকালে টাঙ্গুয়ার হাওড় ওয়াচ টাওয়ার এর কাছে জাহাজ নোঙর করবে। ছোট নৌকায় ওয়াচ টাওয়ার ভ্রমন করে, হাওরের পানিতে গোসল শেষ এ জাহাজ এ ফিরে আসা। জাহাজ চলবে নিলাদ্রী লেক এর উদ্দেশে। ডাম্পের বাজার ব্রীজ এর কাছে জাহাজ নোঙর। লোকাল চান্দের গাড়িতে করে শিমুল বাগান, নিলাদ্রী লেক, বারিক কেটিনা, লাকমাছড়া (সময় সাপেক্ষ) ভ্রমন (১ চাঁদের গাড়ি তে ১৩ জন)। জাহাজ এ ফিরে এসে বার বি কিউ ডিনার। ৩য় রাতে মেঘালয় এর কাছে ডাম্পের বাজার ব্রীজ এ অবস্থান।
– ৩য় দিন: খুব সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হব । ঢাকা পৌঁছাতে ২৪ ঘন্টা সময় লাগবে.।
– পরের দিন সকালে ০৬:০০ টায় জাহাজ থেকে (শিমুলিয়া কাঞ্চন মেরিনা ঘাট) নেমে যাবো এবং ট্রিপ এর সমাপ্তি।
টাঙ্গুয়ার হাওরের দর্শনীয় স্থান সমূহ
ট্যাকের হাট
ট্যাকের হাট ভারত বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী একটি বাজার। টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে যারা আসেন তারা একবার হলে বেড়িয়ে যান ট্যাকের হাটে। ট্যাকের ঘাটে নৌকা নোঙ্গর করার পর বিকেলের সময়টা সবাই এদিক সেদিক ঘুরে বেড়ায়। সন্ধ্যা বেলায় হালকা খাবার বা ভাজা পোড়া খেতে সবাই ভিড় জমায় ট্যাকের হাটে। ট্যাকের ঘাট থেকে ০৩-০৪ মিনিটের হাটার দুরুত্বে এই বাজারের অবস্থান। যারা বাজেট ট্যুরে আসেন তারা ট্যাকের হাটে কম দামে ভালো মানের খাবার পেয়ে যাবেন।
লাকমা ছড়া
টাঙ্গুয়ার হাওর ঘুরতে আসলে যে জায়গাটিতে যেতে একদম ভূলবেন না সেটি হচ্ছে লাকমা ছড়া। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে সবুজের আস্তরন। এই সবুজ আস্তরনের বুক বেয়ে নেমে এসেছে এক ঝর্ণা, যার নাম লাকমা। এই ঝর্নাটি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে। লাকমা ঝর্ণাটি বাংলাদেশ থেকে দেখা যায়না। লাকমা ঝর্ণার পানিগুলো বাংলাদেশে বয়ে আসে। লাকমা ঝর্ণার পানি গিয়ে পড়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে। যে পথ দিয়ে পানি গিয়ে হাওরে পড়ে তাকে বলে লাকমা ছড়া। ছড়ার শীতল জল আপনাকে প্রনবন্ত করবে। ছড়ায় বড় বড় পাথর ছড়ার সৌন্দর্যকে কয়েক গুন বৃদ্ধি করেছে। ট্যাকের ঘাটে নৌকা থেকে নেমে একটা অটো বা মোটর সাইকেল নিয়ে লাকমা ছড়ার সৌন্দর্য উপভোগ করতে চলে যেতে পারেন।
ওয়াচ টাওয়ার
হাওরকে অন্যভাবে উপভোগ করতে অবশ্যই উঠবেন ওয়াচ টাওয়ারে। ছুটির দিন গুলোতে বেশ ভিড় থাকে টাঙ্গুয়ার হাওরের ওয়াচ টাওয়ারে। বলাই নদীর পাশ ঘেঁসে হিজল বনে ওয়াচ টাওয়ারের অবস্থান। প্রায় সব নৌকা একবারের জন্য হলেও ওয়াচ টাওয়ারের পাশে যায়। ওয়াচ টাওয়ারের আশে পাশের পানি বেশ স্বচ্ছ। পানি স্বচ্ছ বলে ঘুরতে আসা বেশিরভাগ পর্যটকই এইখানে গোসল সেরে নেন। এইখানে পানিতে নেমে চা খাওয়ার আছে বিশেষ সুযোগ। ছোট ছোট নৌকায় করে হাওরের স্থানীয় লোকজন চা, বিস্কুট বিক্রয় করে। আপনি চাইলে বড় নৌকা থেকে নেমে ছোট ছোট নৌকা দিয়ে ঘুরতে পারবেন এইখানে, শুনতে পারবেন মাঝির সুমধুর কন্ঠে হাওর বাঁচানোর গান।
নীলাদ্রি লেক
নীলাদ্রি লেক এইখানে মানুষদের কাছে পাথর কুয়ারি নামে পরিচিত। এই লেকটি এবং তার আশ পাশের এলাকা বাংলার কাশ্মীর নামেও পরিচিত। নীলাদ্রি লেকের বর্তমান নাম “শহীদ সিরাজী লেক” । বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ গেরিলা যোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বির বিক্রম এর নামানুসারে এই লেকের নামকরন করা হয়। কিন্তু ট্রাভেলার কমিউনিটিতে এটি নীলাদ্রি লেক হিসেবেই বেশী পরিচিত। এই লেকের পানি খুব স্বচ্ছ। নৌকায় করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন এই লেকে। আরো আছে কায়াকিং এর বিশেষ ব্যাবস্থা। ক্লান্তি দূর করার জন্য স্বচ্ছ ঠান্ডা লেকের জলে স্নান করে নিতে পারবেন। লেকের এক পাশ সবুজ ঘাসের চাদরে মোড়ানো ছোট ছোট বেশ কয়েকটি টিলা। আর অন্য পাশে রয়েছে সুউচ্চ সুবিশাল পাহাড়। পাহাড়, টিলা, লেকের স্বচ্ছ পানি প্রকৃতির এই সুন্দর মিতালী আপনাকে বিমোহিত করবে। এইখানে এসে আপনি হারিয়ে যেতে বাধ্য। ট্যাঁকের ঘাটে নৌকা থেকে নেমে সোজা হেঁটে চলে আসতে পারবেন নীলাদ্রি লেকে। পড়ন্ত বিকালের সময়টুকু কাটতে পারেন লেকের পাড়ের ঘাসের চাদরে বসে। অথবা প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে করতে পারেন লেকের জলে নৌকা ভ্রমণ অথবা করতে পারেন কায়াকিং।
জাদুকাটা নদী
জাদুকাটা নদীর আদি নাম রেনুকা। কথিত আছে জাদুকাটা নদী পাড়ে বসবাস কারি কোন এক বধু তার পুত্র সন্তান জাদুকে কোলে নিয়ে নদীর অনেক বড় একটি মাছ কাটছিলেন। হঠাৎ অন্যমনস্ক হয়ে নিজের সন্তান জাদুকেই কেটে ফেলেন। এই কাহিনী থেকেই পরবর্তীকালে এই নদীর নাম হয় জাদুকাটা নদী। এ নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের জৈন্তিয়া পাহাড়। এ নদীর পানি অনেক ঠান্ডা, দুপুরের গেলে নঈতে ডূব দিতে একদম ভূলবেন না। তবে নদীর মাঝে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না। মাঝে অনেক স্রোত থাকে। জাদুকাটার এক পাশে সুবিশাল পাহাড় উপরে নীল আকাশ আর নদীর স্বচ্ছ পানি এইগুলো মিলে অদ্ভূত এক ক্যানভাসের সৃষ্টি করে।
শিমুল বাগান
এটি বাংলাদেশের সব চাইতে বড় শিমুলা বাগান। এ বাগানে প্রায় ৩০০০ শিমুল গাছ রয়েছে। প্রায় ১০০ বিঘা জায়গা জুরে এই শিমুল বাগানের বিস্তৃতি। বসন্ত কালে শিমুল ফুলের রক্তিম আভা আপনার মনকে রাঙ্গিয়ে দিবে। শিমুল বাগানের অপর পাশে মেঘালয়ের সুবিশাল পাহাড় মাঝে সচ্ছ নীল জলের নদী জাদু কাটা আর এই পাশে রক্তিম শিমুল ফুলের আভা আপনার মন নেচে উঠবে। শিমুল বাগানে প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা। শিমুল বাগানের নিচেই নৌকা আসে। নৌকা না আসলে ট্যাকের ঘাট থেকে বাইক নিয়ে ঘুরে যেতে পারবেন শিমুল বাগান।
বারিক্কা টিলা
মেঘালয়ের পাহাড়ের পাদদেশে সীমান্তের এই পাশে সবুজে মোড়ানো এক টিলার নাম বারেকের টিলা বা বারিক্কা টিলা। উঁচু এই টিলার একপাশে ভারতের সুউচু পাহাড়, অন্য পাশে স্বচ্ছ জলের নদী জাদুকাটা। বারিক্কা টিলা থেকেই দেখতে পারবেন মেঘ পাহাড়ের মিলবন্ধন। বারিক্কা টিলার উপর থেকে জাদুকাটা নদীর দিকে তাকালে আপনি যে নৈসর্গিক দৃশ্য দেখতে পারবেন তার রেশ থেকে যাবে বহুদিন। বারিকা টিলার পাশে দুইটি মিষ্টি পানির ছড়া রয়েছে। বর্ষাকাল ছাড়া এই ছরাগুলো পানি থাকে না বললেই চলে। ছড়া গুলো দেখতে খানিকটা ট্র্যাকিং করতে হবে। এছাড়াও ভারতের পাহাড়ে রয়েছে শাহ্ আরেফিনের মাজার এবং রয়েছে একটি তীর্থ স্থান। বছরের নির্দৃষ্ট দিনে এইখানে ওরস এবং পূণ্য স্নানের আয়োজন হয়। বারিক্কা টিলার পাশেই জাদুকাটা নদী। এ নদী দিয়েই নৌকায় করে আসতে পারবেন। কিন্ত নৌকা না আসলে ট্যাকের ঘাট থেকে বাইক বা ইজি বাইক চলে আসতে পারবেন বারিক্কা টিলায়।
হিজল বন
এছাড়াও রয়েছে
হাসন রাজার যাদুঘর
ডলুরা শহীদদের সমাধি সৌধ
পাইলগাঁও জমিদারবাড়ি
টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে সঙ্গে যা যা রাখবেন
টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য এবং সতর্কতা
- টাঙ্গুয়ার হাওর আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষার দায়িত্বও আমাদের সকলের।
- টাঙ্গুয়ার হাওরে বেশকিছু জলাবন রয়েছে। এমন কিছু করবেন না যাতে এই বনের ক্ষতি হয়।
- বোটে উঠেই আপনার লাইফ জ্যাকেটটি বুঝে নিবেন। যদি বোটে লাইফ জ্যাকেট না থাকে তাহলে বাজারে ভাড়া পাওয়া যায়, সেখান থেকে সংগ্রহ করে নিবেন।
- খরচ কমাতে চাইলে গ্রুপ ভিত্তিক ভ্রমণ করুন।
- বজ্রপাতের সময় বোটের ছাদে যাওয়া থেকে বিরিত থাকুন।
- যাদুকাটা নদীতে সাতার জানলেও কোনভাবেই লাইফ জ্যাকেট ছাড়া নামবেন না। জাদুকাটা নদীর তলদেশে তীব্র স্রোত থাকে যা উপর থেকে বুঝা যায় না।
- হাওরের মাছ, বন্যপ্রানী এবং পাখি শিকার থেকে বিরত থাকুন।
- অতি উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে এমন ধরনের ডিভাইস ব্যবহার থেকে থাকুন।
- হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য এবং জীব বৈচিত্র রক্ষার জন্য কোন ধরনের অপচনশীল দ্রব্য হাওরের পানিতে ফেলবেন না। ( যদিও এই কাজটিই আমরা সব চাইতে বেশী করি। )
- টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমনে আসার আগে অবশ্যই আপনার পছন্দের হাউজ বোটটি বুকিং করে আসবেন।









